মূল বিষয়বস্তুতে যান
Agrani Agrani
Agrani Agrani
২০২৫
কালবিলা গ্রাম, উজিরপুর উপজেলা, বরিশাল
কৃষি / আম চাষ

এক সময় বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কালবিলা গ্রামের ববিতা দাসের সংসার মানেই ছিল নিরন্তর সংগ্রাম।

কৃষক পরিবারের সন্তান ববিতা দাস নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। ছোট্ট খড়ের ছাউনি, টিনের চালা আর অপ্রতুল আয়ে দিন-দারিদ্র্য যেন তাঁদের চিরসঙ্গী। ববিতা দাসের চোখে ছিল ভবিষ্যৎ জয়ের স্বপ্ন — তিনি জানতেন অন্ধকার ভেদ করে আলোর দিশা খুঁজে নিতে হয়। কৃষিকাজ ছিল তাঁর ভবিষ্যৎ জয়ের একমাত্র হাতিয়ার। ২০২০ সাল থেকে তিনি প্রচলিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতেন, কিন্তু তেমন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসছিল না।

ববিতা দাস — আম বাগান

ববিতা দাস তাঁর আম বাগানে

জীবনের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত

অবশেষে ২০২৫ সালে তিনি অগ্রণী ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির সদস্য হন — এটাই ছিল তাঁর জীবনের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। প্রথম ধাপে সামান্য অর্থসহায়তাই হয়ে ওঠে তাঁর ভবিষ্যৎ জয়ের প্রথম পুঁজি। তিনি নতুনভাবে ভাবতে শুরু করলেন কৃষি নিয়ে — বহুমুখী ফলফসল উৎপাদন হাতে নিলেন। শুরুটা ছিল ক্ষুদ্র, কিন্তু বিশ্বাস ছিল অটল — এই বিশ্বাসই হয়ে উঠল তাঁর অগ্রযাত্রার চালিকাশক্তি।

"অন্যের চোখে হয়তো ছিল ঝুঁকি, কিন্তু আমার কাছে এটি ছিল ভবিষ্যতের বীজ।"

— ববিতা দাস, কালবিলা গ্রাম, উজিরপুর

সাফল্যের পথে

ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থ নিয়ে তিনি বাড়ির আঙিনায় স্বল্প পরিসরে বারোমাসি আমের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে গাছের পরিচর্যা করেন এবং ভালো আম উৎপাদন করে সাফল্য অর্জন করেন। বর্তমান সময়ে তিনি আরও অর্থ ঋণ নিয়ে ব্যাপক পরিসরে আমের বাগান গড়েছেন এবং আর্থিক স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলেছেন।

ট্যাগ:

ক্ষুদ্রঋণ আম চাষ উজিরপুর কৃষি নারী উদ্যোক্তা

শেয়ার করুন:

সম্পর্কিত গল্পসমূহ

পূর্নিমাক্ষুদ্রঋণ

২০২৪

স্বপ্ন থেকে বাস্তবতার গল্প: পূর্নিমা রানী বিশ্বাস

আরও পড়ুন →
বিলকিসপশুপালন

২০২৫

বিলকিস বেগমের এগিয়ে চলার গল্প

আরও পড়ুন →